ঢাকামঙ্গলবার , ২৮ মে ২০২৪
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরো
  6. ইসলামিক
  7. কবিতা
  8. কৃষি সংবাদ
  9. ক্যাম্পাস
  10. খাদ্য ও পুষ্টি
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. চট্টগ্রাম
  14. ছড়া
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শৈলকূপায় ভাতার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র

ঢাকার টাইম
মে ২৮, ২০২৪ ৯:৪৩ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

 

এম বাদশা মিয়া স্টাফ রিপোর্টার

ঝিনাইদহের শৈলকূপায় বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী  ভাতার টাকা কৌশলে হাতিয়ে নিচ্ছে একটি প্রতারক চক্র। গত কয়েক দিনে শৈলকূপা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের কয়েকশ মানুষের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে চক্রটি। প্রায় প্রতিদিনই ভুক্তভোগীরা ভিড় করছেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসে। সমাজসেবা কর্মকর্তা বলছেন এই ধরনের প্রতারণা রোধে জনসচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।খবর নিয়ে জানা যায়, ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে নগদের মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ভাতার টাকার পাচ্ছেন শৈলকূপা  উপজেলার উপকারভোগীরা। এর আগে ভাতার টাকা তুলতে উপকারভোগীদের ব্যাংকে যেতে হতো। তবে ডিজিটালাইজেশন হওয়ার পরে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় একটি চক্র উপকারভোগীদের কাছ থেকে ভাতার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। প্রথমে ফোন করে অ্যাকাউন্টের পিন নম্বর চাইলেও এখন ওটিপির মাধ্যমে নিমেষে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নিচ্ছে প্রতারক চক্রটি। গত কয়েক দিনে শৈলকূপা  উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের অনেক মানুষ এই প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

ভুক্তভোগী ১৩ নং  ইউনিয়নের চন্ডপুর   গ্রামের নরেশ দাশ বলেন, ‘বয়স্ক ভাতা

হিসেবে প্রতি মাসে ১৮০০ টাকা করে  চার মাস পরপর ৭২০০ টাকা ভাতা পেতেন তিনি। এবার টাকা তুলতে গিয়ে শুনেন তার মোবাইল ব্যাংকিংয়ের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেয়া হয়েছে। এ কথা শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। অভাবের সংসারে ভাতার টাকা দিয়ে তিনি ওষুধপত্র কিনতেন। এখন কীভাবে তিনি ওষুধ কিনবেন, এ নিয়ে চিন্তার ভাঁজ তার কপালে। তিনি মোবাইল ব্যবহার করতে পারেন না আর তার পরিবারের কেউ প্রতারক চক্রকে ওটিপি দিয়েছেন কি না, তিনি তা জানেন না।’

পৌর এলাকায় কবিপুর গ্রামের আরেক ভুক্তভোগী  আবদুল মোতালেব  বলেন, ‘কয়েক দিন আগে কেউ একজন ফোন দিয়ে নিজেকে উপজেলা সমাজসেবা  কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে তার ভাতার টাকা বাড়িয়ে দেয়া হবে বলে জানান। এ জন্য তার মোবাইলে একটি কোড যাবে, যা তাকে দেয়ার জন্য বলে। তিনি সরল মনে বিশ্বাস করে ওটিপি দেয়ার পর তার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা চলে যায়। তিনি শুধু নন, তার গ্রামের অন্তত সাতজন এ রকম প্রতারণার শিকার হয়েছেন।শৈলকূপা  উপজেলার সমাজসেবা কর্মকর্তা মো: শরিফ উদ্দিন  বলেন, ‘গত কয়েক দিনে প্রতারিত হয়েছেন এ রকম বেশ কয়েকজন মানুষ আমাদের অফিসে এসেছেন। আমরা তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছি। উপজেলা সমাজসেবা অফিস থেকে কেউ ভাতাভোগীদের ফোন করে কখনো পিন কোড অথবা ওটিপি চাইবে না। প্রতারণার রোধে এ বিষয়ে মাইকিং  প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন তারা। উপজেলা সমাজসেবা অফিস সূত্রে জানা যায়, শৈলকূপা  উপজেলায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৪৫ হাজার জন ভাতা পাচ্ছেন। তার মধ্যে বয়স্ক , বিধবা , প্রতিবন্ধী  এবং বয়স্করা প্রতি তিন মাস অন্তর ১ হাজার ৮০০ টাকা, বিধবারা ১ হাজার ৬৫০ টাকা, প্রতিবন্ধীরা ২ হাজা ৫৫০ টাকা এবং অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর মানুষ প্রতি তিন মাস অন্তর ১ হাজার ৬৫০ টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন

বিষয়টি সম্পর্কে শৈলকূপা  থানার ওসি শফিকুল ইসলাম  বলেন, ‘এ ব্যাপারে এখনো পর্যন্ত কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। যেহেতু এটি মোবাইলের মাধ্যমে প্রতারণা, প্রতারকের মোবাইল নম্বর উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ করলে প্রতারককে খুঁজে বের করা সম্ভব। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখব এবং প্রত্যেক ইউনিয়নের বিট পুলিশ  অফিসারদের নির্দেশনা দেয়া হবে কার্ড ধারীদের যেনো  সচেতন করে  ।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।