মঙ্গলবার , ১১ অক্টোবর ২০২২ | ১৮ই মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অভিযোগ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আগুন দুর্ঘটনা
  6. আটক
  7. আন্তর্জাতিক
  8. আরো
  9. আলোচনা সভা
  10. ইসলামিক
  11. উদ্ধার
  12. কবিতা
  13. কমিটি গঠন
  14. কৃষি সংবাদ
  15. ক্যাম্পাস

রাজশাহীর জেলেদের চোখে-মুখে চিন্তার ভাঁজ

প্রতিবেদক
ঢাকার টাইম
অক্টোবর ১১, ২০২২ ১:৪৮ অপরাহ্ণ

 

মো.পাভেল ইসলাম রাজশাহী প্রতিনিধিঃ

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার অধিকাংশ জেলে পরিবার চলে পদ্মা নদীতে মাছ ধরে। ইতি মধ্যে চলছে ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণে ৮ অক্টোবর থেকে পদ্মা নদীতেও মাছ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা। এ সময় সরকারি চাল দেওয়ার কথা থাকলেও এখনো কোনো খাদ্য সহায়তা পাননি বলে অভিযোগ তুলেছেন রাজশাহীর চারঘাটের জেলেরা।

মঙ্গলবার (১১অক্টোবর) উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, জেলেদের চোখে-মুখে চিন্তার ভাঁজ। অনেকেই নদীর পাড়ে বসে রয়েছেন। কেউ কেউ তাদের ছেঁড়া জাল মেরামত করছেন। কেউ নদী থেকে নৌকা ডাঙায় তুলেছেন মেরামতের জন্য।

জেলেরা বলছেন, নিষেধাজ্ঞার সময় তাদের কষ্টের সীমা থাকে না। ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞার কারণে তারা অন্য মাছ ধরতেও নদীতে নামতে পারেন না। অনেক জেলে পরিবার না খেয়ে দিন পার করেন। নিষেধাজ্ঞার সময় সরকার থেকে খাদ্য সহায়তা দেওয়ার কথা থাকলেও সেটা এখনো পাননি তারা। দ্রুত সময়ের মধ্যে খাদ্য সহায়তার দাবি জানিয়েছেন জেলেরা। পাশাপাশি নগদ অর্থ দেওয়ারও দাবি জানান তারা।

চারঘাট উপজেলা মৎস্য অফিস জানায়, এ উপজেলায় নিবন্ধিত মোট জেলে রয়েছেন ১ হাজার ১৪৯ জন। এর মধ্যে ইলিশ শিকারি জেলে রয়েছেন ৬৬৩ জন। নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেরা যেন নদী থেকে ইলিশ শিকারে না যান এজন্য গত বছর পৌরসভায় ১৯৮ জন, ইউসুফপুর ইউনিয়নের ১২৪ জন, সরদহ ইউনিয়নের ৮০ জন ও সদর ইউনিয়নে ১৬৮ জনসহ সর্বমোট ৫৭০ জন নিবন্ধিত জেলেকে ২০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তবে এ বছর জেলেদের সহায়তার পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

চারঘাট উপজেলা সদরের জেলে তাজমুল হক বলেন, ‘২২ দিনের মাছ ধরা বন্ধ দিয়েছে ভালো কথা। আমরা নিষেধাজ্ঞার সময় মাছ ধরতে নদীতে যাবো না। তাহলে খাব কী? সরকার প্রতিবছর জেলেদের ২০ কেজি করে চাল দেয়। যারা জেলে না, তারা চাল পায়। আমি ১৫ বছর ধরে মাছ ধরি নদী থেকে, আজ পর্যন্ত কোনো সহায়তা পাইনি। পেটে ভাত না থাকলে নদীতে তো চুরি করে হলেও নামতে হবে। সরকার ২২ দিনের খাবারের ব্যবস্থা করে দিলে মাছ ধরতে যাবো না।’

রাওথা এলাকার রফিকুল ইসলাম নামের জেলে বলেন, ‘৩০ বছরের বেশি সময় ধরে নদী থেকে মাছ শিকার করছি। সেই মাছ বাজারে বিক্রি করে সংসার চালাই। মাছ ধরা বন্ধের সময় সরকার থেকে ২০ কেজি চাল বরাদ্দ দেওয়া হলেও আমরা পাই ১০-১৫ কেজি। তা দিয়ে ৭ দিনের বেশি চলে না। আরও বেশি চাল দেওয়ার পাশাপাশি কাঁচাবাজার কেনার জন্য নগদ টাকা দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’

উপজেলা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতি বলেন, প্রতিটি জেলে পরিবারেই সদস্য সংখ্যা বেশি৷ চালের বরাদ্দের পরিমাণ আরও বাড়ানো উচিত। ২০ কেজি চালে তাদের নিষেধাজ্ঞার অর্ধেক সময়ও চলবে না। এছাড়া ইলিশ শিকারি সব জেলে যেন চাল বরাদ্দ পায় সেটাও মৎস্য বিভাগকে নিশ্চিত করতে হবে।

চারঘাট উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ওয়ালিউল্লাহ মোল্লাহ বলেন, নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেরা যেন নদীতে না নামেন তার জন্য আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য বিভাগের মোবাইল টিম নদীতে অভিযানে থাকবে।

খাদ্য সহায়তার বিষয়ে তিনি বলেন, এরই মধ্যে ইলিশ শিকারি সব জেলেকে খাদ্য সহায়তা দেওয়ার জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই জেলেদের জন্য বরাদ্দ খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে। বরাদ্দের পরিমাণ ২০ কেজি থেকে বাড়িয়ে ২৫ কেজি করার প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট দপ্তরে তালিকা দিয়েছি আমরা।

সর্বশেষ - সারা দেশ

আপনার জন্য নির্বাচিত
উৎসব মুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে জেলা পরিষদ নির্বাচন

উৎসব মুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে জেলা পরিষদ নির্বাচন

মান্দায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

রাজশাহীতে বিএমডিএ’র নির্বাহী পরিচালকের অপসারণ দাবিতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন

রূপগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ

হাজী সেলিম ও তার ছেলের সম্পদের তথ্য সংগ্রহ করছে দুদক

তানোর বাসীকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পংকজ চন্দ্র দেবনাথ

শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কে কতজনের প্রান গেলে প্রশাষনের টনক নরবে।

জয়পুরহাটে স্বামীর নির্যাতনে প্রাণ হারালেন গৃহবধূ

জনগণের স্বাস্থ্য নিয়ে ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না- স্বাস্থ্যমন্ত্রী

শেখ হাসিনার জন্মদিনে মঠবাড়িয়ায় চিত্রনায়ক জায়েদ খানের বৃক্ষরোপণ

%d bloggers like this:

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট