1. sjahedpoet@gmail.com : Jahed Sarwar : Jahed Sarwar
  2. admin@www.dhakartime.com : ঢাকার টাইম :
সর্বশেষ :
নানাকে খুন করায় পুলিশের হাতে নাতি আব্দুল খালেক আটক মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে রক্ত কান্ডারী স্বেচ্ছাসেবীদের দাবী সমূহঃ- নীলফামারী ডিমলায় ভুয়া পরীক্ষার্থীর কারাদণ্ড সম্প্রীতি বিনষ্টের জন্য দায়ী কতিপয় অমানুষ-হুইপ স্বপন সিরাজগঞ্জে বিএনপি জামাতের নৈরাজ্য ও পুলিশকে হামলার প্রতিবাদে ১০ নং সয়দাবাদ ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত রাজারহাটে নৌকাবাইচে হাজারও মানুষের ঢল নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান “বুলু” উপর হামলার প্রতিবাদ সমাবেশ নান্দাইলে আগুনে পুড়ে ৫ ব্যবসায়ির স্বপ্ন পুড়ে ছাই সোনারগাঁওয়ে স্বেচ্ছাসেবীদের ‘ভয়েস অব ভলান্টিয়ার’ আলোচনা সভা নবীগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

শাজাহানপুরে পরীক্ষার্থীর সাথে শিক্ষকের অসদাচরণের সুরাহা হয়েছে

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

 

মিজানুর রহমান মিলন,
শাজাহানপুর(বগুড়া)প্রতিনিধিঃ

চলতি এএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে(১৫সেপ্টেম্বর) বগুড়া শাজাহানপুর উপজেলার আড়িয়া রহিমাবাদ উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ১০১নম্বর কক্ষে এক শিক্ষার্থীর সাথে অসদাচরণের অভিযোগ ওঠার ঘটনাটি সুরাহা হয়েছে। পুরো মুখ ঢেকে রাখা ওই পরীক্ষার্থীর খাতায় হলে দায়িত্বরত শিক্ষক স্বাক্ষর করতে গিয়ে পরিচয় নিশ্চিৎ হওয়ার জন্য বোরখায় ঢেকে রাখা মুখ বের করতে বলেছিলেন। এ সময় ওই পরীক্ষার্থী মুখ বের করতে চাইছিলেন না।

গত শনিবার(১৭সেপ্টেম্বর) ওই কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে আসা ওই পরীক্ষার্থী তার পিতার উপস্থিতিতে আড়িয়া রহিমাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সামনে এই বর্ননা দেন। একই কথা জানিয়েছেন ওই হলের অন্য পরীক্ষার্থীরাও। ঘটনাটি ভুল বোঝাবুঝি ছিল বলে জানিয়েছেন ওই পরীক্ষার্থীর পিতা।

পরীক্ষার্থীর পিতা জানান, আমার মেয়ে ধর্ম ভীরু। বোরখা ছাড়া বাহিরে যায়না। পরীক্ষা কেন্দ্রেও বোরখা পড়ে এসেছিল। পরীক্ষার হলে খাতা স্বাক্ষর করার সময় পরিচয় নিশ্চিৎ হওয়ার জন্য দায়িত্বে থাকা শিক্ষক আমার মেয়ের মুখ বের করতে বলেন। কিন্তু মেয়ে সেটা করতে চাইছিল না। এতে আমার মেয়েকে শিক্ষক খায়রুজ্জামান ধমক দিয়েছিলেন।

প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মোনায়েম জানান, বিষয়টি শোনার পর বিস্তারিত জানার জন্য শনিবার ওই পরীক্ষার্থীকে তার পিতার সামনে কথা বলেছি। শনিবার পরীক্ষা চলাকালিন সময়ে একই ভাবে ওই পরীক্ষার্থী মুখ দেখাতে চাইছিলনা। পরে এক নারী শিক্ষক দিয়ে অন্য কক্ষে নিয়ে তার মুখ দেখে আমরা নিশ্চিৎ হই এটা সঠিক পরীক্ষার্থী। প্রচন্ড জিদ থেকে মেয়েটি এ ধরণের কাজ করেছে। কোথাও কোথাও একজনের পরীক্ষা অন্যজন দিতে আসে। আমরা সঠিক পরীক্ষার্থী নিশ্চিৎ না হয়ে তার খাতা স্বাক্ষর করতে পারিনা। অভিযোগ ওঠা শিক্ষক খায়রুজ্জামান সহ ওই পরীক্ষার্থী ও তার পিতার সাথে একত্রে কথা বলে বিষয়টি শেষ করে দিয়েছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

আরো লেখাসমূহ

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

%d bloggers like this: